অক্টোবরের এমপিও চেক ব্যাংকে: ইএফটি (EFT) ত্রুটি সমাধানে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নতুন নির্দেশনা
এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সুখবর! মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) অক্টোবর ২০২৫ মাসের বেতন-ভাতার (এমপিও) চেক ব্যাংকে হস্তান্তর করেছে। তবে, এই বেতন বিতরণের সাথে মাউশি থেকে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য একটি নতুন ও জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
এই নির্দেশনাটি মূলত সেইসব শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য, যারা ব্যাংক তথ্যে ভুলের কারণে দীর্ঘদিন ধরে তাদের ইএফটি (EFT – Electronic Fund Transfer) পাওয়া নিয়ে সমস্যায় ভুগছেন।
অক্টোবরের বেতন-ভাতা ছাড়
মাউশি’র এমপিও সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে আগামী ৩০ অক্টোবর ২০২৫ তারিখের মধ্যে অক্টোবর মাসের বেতন-ভাতার সরকারি অংশ (MPO) উত্তোলন করতে পারবেন।
চেকগুলো ইতোমধ্যে অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এবং জনতা ও সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য নতুন নির্দেশনা কী?
এবারের এমপিও’র সাথে মাউশি একটি বড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানে মনোযোগ দিয়েছে। প্রতি মাসেই দেখা যায়, শত শত শিক্ষক-কর্মচারীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্যে ভুল (যেমন: নামের বানান, অ্যাকাউন্ট নম্বর, রাউটিং নম্বর) থাকার কারণে তাদের বেতন-ভাতা ইএফটি-এর মাধ্যমে অ্যাকাউন্টে জমা হয় না (Payment Failed)।
এই ভোগান্তি নিরসনে, মাউশি এবার প্রতিষ্ঠান প্রধানদের (অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষক) সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব দিয়েছে:
- দায়িত্ব প্রধানদের: মাউশি’র নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, “যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রধানের ভুলের কারণে শিক্ষক-কর্মচারীদের ইএফটি তথ্য সংক্রান্ত সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে,” তাদেরকেই এর দায় নিয়ে দ্রুত সমাধান করতে হবে।
- দ্রুত তথ্য প্রেরণ: প্রতিষ্ঠান প্রধানদের অবশ্যই এই অক্টোবর মাসের মধ্যেই সকল ভুক্তভোগী শিক্ষক-কর্মচারীর সঠিক ও নির্ভুল তথ্য (যাচাই করে) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।
- উদ্দেশ্য: এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো, ইএফটি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে যেন কোনো শিক্ষক-কর্মচারী তাদের প্রাপ্য বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত না হন এবং এই সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধান করা যায়।
শেষ কথা
অক্টোবরের বেতন ছাড়ের এই খবরের পাশাপাশি মাউশি’sর এই নতুন নির্দেশনাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যে সকল শিক্ষক-কর্মচারী অতীতে ইএফটি সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগেছেন, তাদের প্রতি পরামর্শ হলো—অবিলম্বে আপনার প্রতিষ্ঠান প্রধানের সাথে যোগাযোগ করে নিশ্চিত করুন যে, আপনার সঠিক ব্যাংক তথ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
একইভাবে, প্রতিষ্ঠান প্রধানদেরও এই নির্দেশনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে পালন করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে, যেন কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন প্রাপ্তিতে আর বিলম্ব না ঘটে।